আমার রিলেটিভ দের হায়দ্রাবাদে থাকার সুবাদে, শহর টা কিছুটা আমার চেনা। অনেক কিছুই দেখেছি , ঘুরেছি , কিন্তু লাস্ট বার যে বার গেলাম, ঠিক করলাম এবার শুধুই নতুন খাবার ট্রাই করবো। চেটেপুটে খাবার মতো আইটেম গুলো খুঁজে বার করা গেলো। কিছুটা গুগল এর সাহায্য নিলাম আর কিছুটা আমার রিলেটিভ দের থেকে জানা গেলো। সেরম কিছু খাবার এর কথা আপনাদের জানানোর জন্যে এই লেখা লিখতে বসেছি।

সবার প্রথমে যেই জায়গার কথা বলবো সেটা হায়দ্রাবাদের একটি ফেমাস বৈশিষ্ট। নাম তার চারমিনার। হায়দ্রাবাদ এ যারাই যায় তারা এই একটি জায়গা কখনও মিস করে না। চারমিনার এর আশেপাশে প্রচুর দোকানপাট রয়েছে , কিন্তু অনেক দোকানের মধ্যে আপনার চোখে পড়বে নিমরাহ বেকারি। এই পুরোনো দোকানটি চারমিনার থেকে একটু মক্কা মসজিদের দিকে এগিয়ে গেলেই হাতের ডানদিকে পড়বে। চা আপনি অনেক জায়গাতে খেয়েছেন , একবার নিমরাহ বেকারি র চা খেয়ে দেখুন। স্থানীয় লোকেরা ওটাকে ইরানি চা বলে।

স্বাদে সেই চা অতুলনীয় আর আপনার অনেক চা খাওয়ার অভিজ্ঞতা কে ভুলিয়ে দিতে পারে। চা না হয় খেলেন কিন্তু আমি বলবো তার সাথে টা টাও খেয়ে দেখবেন। আমি নিয়েছিলাম ১ প্লেট বিস্কুট , ওদের বেকারি র স্পেশাল। সব গুলো ভালো না লাগলেও পেস্তা বিস্কুট এর স্বাদ টা মুখে লেগে গেলো। অগত্যা ৫০০ গ্রাম বিস্কুট কিনে নিয়ে ফিরলাম।

আপনাদের জানিয়ে রাখি ১ প্লেট মিক্স ফ্লেভার্ড বিস্কুট এর দাম ১২০ টাকা। ইরানি চা স্পেশাল এর দাম ১৫ টাকা। যে ৫০০ গ্রাম বিস্কুট কিনেছিলাম তার দাম নিয়েছে ১৫০ টাকা (৩০০ টাকা কেজি) । অনেক রকম বিস্কুট পাওয়া যায় , খেয়ে যেটা ভালো লাগবে সেটাই কিনতে পারেন। একটু বেশি হলেও খেয়ে মজা পাবেন। এরপর যদি কখনো হায়দ্রাবাদ এ ঘুরতে যান অবশ্যই নিমরাহ বেকারি তে ঘুরে খেয়ে আসবেন।
এরপর সময় হয়ে এলো লাঞ্চ করার। কোথায় করলাম ? সেসব পরের পর্বে দেয়া আছে , ক্লিক করে দেখতে পারেন।