জেলেদের জেটিতে রাতের খাওয়া

ফিশেরম্যান হোয়ার্ফ – এই কথাটির পুরোদস্তুর বাংলা অনুবাদ করলে যা দাঁড়ায় তা হলো জেলেদের জেটি। এই জেলেদের জেটি সেখানেই থাকে যেখানে মাছ ধরবার একটা আয়োজন হয়। আপনারা বলতে পারেন হায়দ্রাবাদে কোথায় এরম হয় ? সেখানে তো সমুদ্র নেই। জেলেদের যেটি আসলে হলো একটি রেস্তোরাঁ যেটি গোয়াতে প্রথম খোলে তারপর ধীরে ধীরে ভারতের অন্যান্য শহর গুলোতেও পসার জমাতে থাকে। এই রেস্তোরাঁ আপনাকে শুধু খাবার পরিবেশন করে না এটি খাবার সাথে সাথে একটু গোয়ার বাতাবরণের অনুভূতি জাগায়। হায়দ্রাবাদের ফাইনান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টে এই রেস্তোরাঁটি রাস্তার ধারেই রয়েছে। ফাইনান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টকে যদি বাংলায় বলতাম তাহলে কাউকে জিজ্ঞেস করলে হয়তো সে বলতেই পারতো না হায়দ্রাবাদের কোন অঞ্চলকে বোঝানো হচ্ছে। মাইক্রোসফ্টের নাম তো শুনেইছেন , এই সংস্থার এক বড়ো অফিস এই অঞ্চলেই আছে। শুধু তাই নয় আছে উইপ্রো , ইনফোসিস এবং এরম আরো তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা।

ফিশেরম্যান হোয়ার্ফের সামনেটা
ভেতরের পরিবেশ

যাই হোক এবার রেস্তোরাঁর কথায় আসি। আলাদা আলাদা ছাউনি দেয়া খাবার জায়গা আর তার ঠিক মধ্যিখানে গিটার বাজিয়ে পশ্চিমী সংগীত পরিবেশন চলছে এবং তারই মাঝে খাওয়া দাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। গান শুনতে শুনতে পছন্দসই খাবারের মেনু কার্ড হাতে পেলাম। অর্ডার করলাম মিক্সড সীফুড স্যুপ। অসাধারণ খেতে এই মাখন মিশ্রিত এই পানীয়। আমার দারুন লেগেছিলো এই স্যুপ দিয়ে খাবার শুরু করতে। গোয়ার পরিবেশে এসেছি সীফুড না চেখে দেখলে হয়। যারা পরিবেশন করছিলেন তাদের মধ্যে ১-২ জন বাঙালি পাওয়া গেলো তাদের জিজ্ঞেস করতেই তারা এই রেস্তোরাঁর সবথেকে ভালো খাবার গুলোর নাম বললো। তাদের কথামতোই নিলাম চিলি ফিশ , ভুনা গোস্ত , গলৌটি কাবাব আর রুটি। এগুলোর মধ্যে চিলি ফিশ টা আমার খিদে খিদে যেন আরো বাড়িয়ে দিলো। এতো ভালো চিলি ফিশ আমি আগে কখনোই খাইনি। গোলমরিচ আর লঙ্কার এক অদ্ভুত মিশেল এই আইটেম। যেই বানিয়ে থাকুক তাকে মনে মনে শতকোটি শুভেচ্ছা জানিয়ে দিয়েছিলাম। ভুনা গোস্ত একটা মটনের রেসিপি। এটিও বেশ ভালোই খেতে , রুটির সাথে খেতে দারুন লাগবে। বাকি খাবার গুলো আমার খুব ভালো লাগেনি।

চিলি ফিশ আরেকটা প্লেটে গলৌটি কাবাব
মিক্সড সীফুড স্যুপ

যদি এখানে কখনো আসেন অবশ্যই সীফুড স্যুপ আর চিলি ফিশ খেয়ে দেখবেন। কথা দিতে পারি একবার খেলে ভুলবেন না। রেস্তোরাঁয় প্রবেশের মুখে অনেক মাছ রাখা থাকে তাদের মধ্যে বড়ো পমফ্রেট , বড়ো গলদা চিংড়ি এবং বড়ো কাঁকড়া গুলি দেখবার মতো। এগুলিকে হাতে নিয়ে ছবিও তুলতে পারেন। শনিবার বা রবিবার এলে আগে থেকে টেবিল বুক করে আসবেন নইলে এতো ভীড় থাকে যে জায়গা নাও পেতে পারেন। নিচে গুগল ম্যাপের লিংক দেয়া রইলো , দেখে নিতে পারেন।

https://goo.gl/maps/WpbiidntMeB5eT4U9

আইকিয়াতে মহাদেশীয় লাঞ্চ

রান্নাঘরের টুকিটাকি বা ঘর সাজানোর জিনিসপত্রের জন্যে আমরা যারা কলকাতায় থাকি তারা হোমটাউনে যাই। সেরোমি হায়দ্রাবাদে যারা থাকে তারা আইকিয়াতে যায়। সত্যি বলছি এতো বড়ো শপিং মল আমি আমার জীবদ্দশায় দেখিনি। আইকিয়া একটা সুইডেন দেশের ব্র্যান্ড। হায়দ্রাবাদের তথ্যপ্রযুক্তি অঞ্চল হাইটেক্সে আইকিয়ার মলটি রয়েছে। এটি এতো বড়ো যে পুরো মলের সব জিনিসপত্র দেখতেই আপনার এক বেলা লেগে যাবে। আমরা যদিও খাওয়ার জন্যে গেছিলাম তো সেই কথাতেই আসি। আইকিয়ার টপ ফ্লোরে ওদের রেস্তোরাঁটি আছে , আর এখানে বেশ কিছু ভারতীয় আর মহাদেশীয় খাবার পাওয়া যায়। মহাদেশীয় বলতে আমরা যাকে বলি কন্টিনেন্টাল আর কি। আমি যদিও খুব বেশি মহাদেশীয় খাবার খাইনি , তাই প্রথমবার গিয়ে বুঝলাম মূলত এগুলি সুইডেনের বিভিন্ন রেসিপি। সুইডেন বলতে আমি জানি ইব্রাহিমোভিচের দেশ। সামনে ইউরো কাপ হবে আশা করি দেখতে পাবেন সুইডেনের খেলা।

আইকিয়া , হাইটেক্স , হায়দ্রাবাদ
আইকিয়ার ভেতরে

সুইডেনের যে ডিশ টা বেশ নামকরা এখানে , প্রায় সবাই সেটিই খেতে আইকিয়াতে আসে সেটি হলো চিকেন মিট বল। ১২ পিস্ এর দাম ২০০ টাকা। ৮ পিস্ এর প্লেটের দাম ১৪৯ টাকা। বাঙালি বলে পেট আমার অনেকটাই বড়ো , তাই ১২ পিস্ এর প্লেটটাই নিয়েছিলাম। একটা কথা বলে রাখি আইকিয়ার এই রেস্তোরাঁতে আপনি এক কাপ কফি বা এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয়র দাম দেবেন , কিন্তু খেতে পারবেন বারবার। কারণ এখানে কফি বা ঠান্ডা পানীয়র ভেন্ডিং মেশিন রয়েছে। তাই চিকেন মিট বলের সাথে নিয়েছিলাম ১ কাপ কফি , ১টা চিজ কেক। চিজ কেক এখানে যতজনকে দেখেছি সবাই নিয়েছিল।

চিকেন মিট বলস
চিজ কেক আর তার সাথে জ্যাম

আমার এই বাঙালি পেট এই দুটো খেয়েই ভর্তি হয়ে গেলো। ছবি দেখে বিচার করবেন না , হায়দ্রাবাদ গিয়ে খেয়ে দেখুন। মিট বলের ছবিতে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন একটি ছোট্ট সুইডিশ পতাকা। এই মিট বল যে অসাধারণ খেতে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। চিজ কেক যে মুখে দিলে নরম হয়ে গলে যাবে তা আমি আগেই ঠাহর করতে পেরেছিলাম। কিন্তু অল্পবিস্তর রান্নার অভিজ্ঞতা থেকে জানি চিজ আপনি এতটা খেলে আপনার পেট এমনিতেই ভারী হয়ে যাবে। সেরোমটাই আমার সাথে হয়েছিল। শেষ যে জিনিসটা খেলাম সেটার জন্যে আর আমি ছবি তুলিনি , পাওয়ার সাথে সাথেই খেয়ে নিয়েছি। সেটা হলো ফ্রোজেন য়োগার্ট , বাংলায় হয় জমানো দই। সাদা কিন্তু মিষ্টি খেতে আইসক্রিমের মতো। পেয়েছিলাম আইসক্রিমের কোণ গুলোতে , আর ছাড়া যায়। তাই দুঃখিত এই ছবি তোলা হয়নি। ফ্রোজেন য়োগার্টের দাম মাত্র ১০ টাকা। এবার ভাবুন।

যাই হোক নিচে আইকিয়ার গুগল মাপের লিংক দিলাম , কখনো হায়দ্রাবাদ এলে এখানে অবশ্যই একদিন খাবার প্ল্যান করবেন। ডিনারে ফিশেরম্যান হোয়ার্ফে গিয়ে কি খেলাম পড়ুন

https://g.page/ikea-store-hyderabad?share

৪ সিজনসে দুপুরের খাওয়া

সারা ভারত জুড়ে সবাই মোটামুটি হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানির নাম শুনেছে। স্থানীয় লোকেদের জিজ্ঞেস করলে যে কেউ একবারে প্যারাডাইস বিরিয়ানির নাম করবে,কিন্তু আমি একটা অন্য জায়গার নাম বলছি যা প্যারাডাইস বিরিয়ানি কে যে কোনো দিন ১০ গোল দেয়ার ক্ষমতা রাখে। সেই দোকান হায়দ্রাবাদের অনেক পুরোনো দোকান গুলির মধ্যে একটা। ভাগ্যবশতঃ এটিও চারমিনার এর কাছাকাছি। দোকানটির নাম শাদাব, এই নাম দিয়ে যেকোনো ওলা বা উবের আপনাকে ঠিক জায়গায় নামিয়ে দেবে।তাও আমি নিচে ম্যাপ লোকেশন দিচ্ছি। গেলে দেখতে পারেন।

ম্যাপ লোকেশন : https://goo.gl/maps/emwW1E7Eo5UnwVZX6

যদিও আমার এই লেখাটি শাদাব এর সম্পর্কে নয়, তাও কথা দিতে পারি ঠকবেন না। লাঞ্চে আমি শুধু বিরিয়ানি খেতে চাইনি , খেতে চেয়েছিলাম অন্যরকম কিছু , সেই ইচ্ছে টাই আমাকে নিয়ে এলো “৪ সিজন্স” [English: 4 Seasons] এ। এটি হায়দ্রাবাদের “টলি চৌকি” বলে একটি জায়গাতে আছে। রাস্তার ওপরেই এই রেস্টুরেন্ট টা , তাই পৌঁছতে আপনার কোনো অসুবিধা হবে না। ওলা , উবের বা অটো তে করে আরামে পৌঁছে যাবেন। এবার বলি পৌঁছে তো যাবেন কিন্তু খাবেন কি ? এখানে আপনি ২ টো জিনিস ট্রাই করতে পারেন। ১ “খাবস লাহাম ” আর ২ “মিক্সড কাবাব প্লাটার”।

৪ সিজন্স রেস্টুরেণ্ট , টলি চৌকি

খাবস লাহাম হলো একটি স্পেশাল মটন বিরিয়ানি রেসিপি যেখানে বিরিয়ানি আলাদা আর মটন আলাদা রান্না হয়। সার্ভ করাও হয় আলাদা করে। খেলে মনে হতে পারে আলাদা বিরিয়ানি খাচ্ছেন আর আলাদা করে সেদ্ধ মটন খাচ্ছেন। এক প্লেটে ২ পিস বড় সাইজের মটন থাকে। এটুকু বলতে পারি , এক প্লেট গোটা একজন খেতে পারবেন না। দুজনের জন্যে ঠিকঠাক হতে পারে যদি না আপনার খুব খিদে পেয়ে থাকে। মটন এর পিস গুলো খুবই নরম , তো আপনাকে কষ্ট করে চিবিয়ে খেতে হবে না। আমি যদিও কাবাব টা খেয়ে এটা খেয়েছিলাম তাই পেট আমার তাড়াতাড়ি ভরে গেছিলো। ১ প্লেটের দাম প্রায় ৪০০ টাকার মতো।

খাবস লাহাম ১/২ প্লেট

মিক্সড কাবাব প্ল্যাটার আইটেম যখন সার্ভ করলো আমি দেখে অবাক হয়েছিলাম , কারন এতদিন এরম কিছু খেয়ে দেখিনি। এই প্লেটে ছিল ৫ রকমের কাবাব , ২ টো চিকেন , ১ টা মটন শাম্মি কাবাব , ১ টা ফিশ কাবাব আর একটা চিংড়ি র কাবাব। ছবি দেখে ভাববেন না আমি একা খেয়েছি , আমরা ৫ জনে মিলে খেয়েছি। ১ প্লেটের দাম প্রায় ২১০০ টাকার মতো। দামটা একটু বেশি হলেও একটু অন্য রকম খাবার অভিজ্ঞতা হতে পারে।

মিক্সড কাবাব প্ল্যাটার

এরপরে যদি কখনো হায়দ্রাবাদে যান, অবশ্যই ৪ সিজন্সে এই দুটি আইটেম খেয়ে দেখবেন। নিচে ম্যাপ লোকেশন এর লিংক দেওয়া রইলো।

ম্যাপ লোকেশন : https://goo.gl/maps/PuBkK7nxHem4XyBe6

ডাবল কা মিঠা

এরপর একটু মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হলো। ৪ সিজনসে হায়দ্রাবাদের একটি নামকরা মিষ্টি পাওয়া যায়। সেটা অন্য জায়গাতেও পাওয়া যায়। মিষ্টির নাম “ডাবল কা মিঠা“। আমরা বাঙালিরা কখনও পাঁউরুটি দিয়ে এরম জিনিস খেয়ে দেখিনি। অন্তত আমি নিজে কখনও খেয়ে দেখিনি। পাঁউরুটি আর ক্ষীরের যে কিরাম টেস্ট হয় সেটা ডাবল কা মিঠা খেয়ে বোঝা গেলো। কখনও হায়দ্রাবাদ এলে অবশ্যই খেয়ে দেখতে ভুলবেন না। দাম পড়তে পারে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। যতটা পাবেন ২ জনের হয়ে যাবে।

ক্যাফে বাহার রেস্তোরাঁ

সেই দিনের মতো খাবার পর্ব শেষ করে বাড়ি ফেরার প্ল্যান হলো। বাড়ি ফেরার পথে একটা মজার ব্যাপার হলো। সেটা একটু জানিয়ে রাখি। ইচ্ছে ছিল শাদাব এর বিরিয়ানি নিয়ে বাড়ি ফিরে যাবো, রাতে সেই বিরিয়ানিই খাওয়া হবে। উল্টো রুট হবে আর তাছাড়াও সময়ের অভাবে আর যাওয়া হলো না। কিন্তু বিরিয়ানি খাবার ইচ্ছেটাকে আটকাই কি করে, অগত্যা রাস্তায় দাঁড়ানো হলো ক্যাফে বাহার নামে একটি রেস্তোরাঁয়। এটিও বেশ পুরোনো ও নামকরা। গুগল বাবার রেটিংও বেশ ভালোই দেওয়া আছে। বিরিয়ানি অর্ডার দিয়ে অপেক্ষা করছি কি দেখতে পেলাম ক্যাফে বাহারেরই একটা পানের স্টল। দেখুন পান আমি আপনি অনেকেই খেয়েছি, কিন্তু এ পান সে পান নয়। এ হলো ফ্লেভারড পান। এক একটি পান ২৫ টাকা। ফ্লেভার আছে চকলেট, বাটার স্কচ, মিল্ক চকলেট এরম বিভিন্ন ধরনের ছিল। নিয়ে ফেললাম ৪ রকমের পান। ফ্লেভার একটা পাতলা আস্তরণ যেটা পান এর ওপরে ছিল। মোটের ওপরে একটি ফ্লেভারযুক্ত মিষ্টি পান খেলাম।

লোভনীয় ফ্লেভার্ড পান

তারপর বিরিয়ানি নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলাম। পরের দিন প্ল্যান হলো লাঞ্চে যাবো আইকিয়া আর ডিনারে জেলেদের জেটি। সেটা পরের পর্বে পেয়ে যাবেন। লিঙ্ক দেয়া রইলো।

নিজামের শহরে ইরানি চা

Charminar in Hyderabad

আমার রিলেটিভ দের হায়দ্রাবাদে থাকার সুবাদে, শহর টা কিছুটা আমার চেনা। অনেক কিছুই দেখেছি , ঘুরেছি , কিন্তু লাস্ট বার যে বার গেলাম, ঠিক করলাম এবার শুধুই নতুন খাবার ট্রাই করবো। চেটেপুটে খাবার মতো আইটেম গুলো খুঁজে বার করা গেলো। কিছুটা গুগল এর সাহায্য নিলাম আর কিছুটা আমার রিলেটিভ দের থেকে জানা গেলো। সেরম কিছু খাবার এর কথা আপনাদের জানানোর জন্যে এই লেখা লিখতে বসেছি।

Tea, lassi biscuits in Nimrah Bakery
চা বিস্কুট আর লস্যি

সবার প্রথমে যেই জায়গার কথা বলবো সেটা হায়দ্রাবাদের একটি ফেমাস বৈশিষ্ট। নাম তার চারমিনার। হায়দ্রাবাদ এ যারাই যায় তারা এই একটি জায়গা কখনও মিস করে না। চারমিনার এর আশেপাশে প্রচুর দোকানপাট রয়েছে , কিন্তু অনেক দোকানের মধ্যে আপনার চোখে পড়বে নিমরাহ বেকারি। এই পুরোনো দোকানটি চারমিনার থেকে একটু মক্কা মসজিদের দিকে এগিয়ে গেলেই হাতের ডানদিকে পড়বে। চা আপনি অনেক জায়গাতে খেয়েছেন , একবার নিমরাহ বেকারি র চা খেয়ে দেখুন। স্থানীয় লোকেরা ওটাকে ইরানি চা বলে।

1 plate mixed biscuits at Nimrah Bakery Hyderabad.
একপ্লেট বিস্কুট সহযোগে ইরানি চা

স্বাদে সেই চা অতুলনীয় আর আপনার অনেক চা খাওয়ার অভিজ্ঞতা কে ভুলিয়ে দিতে পারে। চা না হয় খেলেন কিন্তু আমি বলবো তার সাথে টা টাও খেয়ে দেখবেন। আমি নিয়েছিলাম ১ প্লেট বিস্কুট , ওদের বেকারি র স্পেশাল। সব গুলো ভালো না লাগলেও পেস্তা বিস্কুট এর স্বাদ টা মুখে লেগে গেলো। অগত্যা ৫০০ গ্রাম বিস্কুট কিনে নিয়ে ফিরলাম।

বিস্কুটের প্যাকেট

আপনাদের জানিয়ে রাখি ১ প্লেট মিক্স ফ্লেভার্ড বিস্কুট এর দাম ১২০ টাকা। ইরানি চা স্পেশাল এর দাম ১৫ টাকা। যে ৫০০ গ্রাম বিস্কুট কিনেছিলাম তার দাম নিয়েছে ১৫০ টাকা (৩০০ টাকা কেজি) । অনেক রকম বিস্কুট পাওয়া যায় , খেয়ে যেটা ভালো লাগবে সেটাই কিনতে পারেন। একটু বেশি হলেও খেয়ে মজা পাবেন। এরপর যদি কখনো হায়দ্রাবাদ এ ঘুরতে যান অবশ্যই নিমরাহ বেকারি তে ঘুরে খেয়ে আসবেন।

এরপর সময় হয়ে এলো লাঞ্চ করার। কোথায় করলাম ? সেসব পরের পর্বে দেয়া আছে , ক্লিক করে দেখতে পারেন।